![]() |
| Health gpt 24 |
পুরুষাঙ্গের পরিচয়:
পুরুষ-লিঙ্গ বা পুংলিঙ্গ বলতে বোঝানো হয় প্রাণীর সেই লিঙ্গকে, যে নিজের শরীরে সন্তান ধারণ করে না কিন্তু স্ত্রী শরীরে যৌনসঙ্গমের দ্বারা শুক্রাণু বা স্পার্ম প্রবেশ করিয়ে সন্তান উৎপাদন করে। পুরুষ যৌনাঙ্গের মধ্যে কয়েকটি অংশ দেহের বাইরে থাকে এবং কয়েকটি অংশ দেহের ভেতরে থাকে যা বাইরে থেকে দেখা যায় না।
পুরুষদের দেহের নিচে একটি ঝুলন্ত থলি আছে, যা অণ্ডকোষের থলি বা টেস্টিকল্স নামে পরিচিত। এ থলির ভিতরে দুটো গোলাকার অণ্ডকোষ থাকে। একটি ছেলে যখন বড় হয় তখন এ অণ্ডকোষ থেকেই শুক্রাণু তৈরি হয়। এই শুক্রাণু যৌনমিলনের মাধ্যমে মেয়েদের ডিম্বাণুর সাথে মিলিত হয়ে ভ্রণ সৃষ্টি করে। শুক্রাণু তৈরির পক্রিয়া সারাজীবন চলতে থাকে।
অণ্ডকোষে শুক্রাণু তৈরি হবার পর শক্রবাহী নালী দিয়ে বের হয়ে এ শুক্রাণু বীর্যের সাথে মিলিত হয়। পুরুষদের দেহের তলপেটের নিচে দুটি বীর্যথলি আছে যা থেকে এক ধরনের রস তৈরি হয়। এ রসই বীর্য বা সিমেন নামে পরিচিত। পুরুষদের যৌন উত্তেজনা তৈরি হলে পুরুষাঙ্গের মাধ্যমে এ বীর্য নিঃসৃত হয়। বীর্য এবং মূত্র একই পথে বের হলেও একসাথে বের হয় না।
পুরুষ প্রজনন তন্ত্রের মধ্যে কয়েকটি অংশ বাইরে থেকে দেখা যায় এবং কয়েকটি অংশ দেহের ভিতরে থাকে যা বাইরে থেকে দেখা যায় না। ছেলেদের দেহের নিচের দিকে একটি ঝুলন্ত থলি আছে , যাকে অন্ডকোষের থলি বলে। এ থলির ভিতরে দুটো গোলাকার অন্ডকোষ বা টেস্টিস থাকে।
একটি ছেলে যখন বড় হয় অর্থাৎ বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছায় তখন এখান থেকেই শুক্রানু তৈরি হয়। এই শুক্রানু যৌনমিলনের মাধ্যমে মেয়েদের ডিম্বাণুর সাথে মিলে ভ্রুণ সৃষ্টি করে।
ছেলেদের শুক্রাণু তৈরির প্রক্রিয়া সারাজীবন চলতে থাকে। অন্ডকোষে শুক্রাণু তৈরি হবার পর শুক্রবাহী নালী দিয়ে বের হয়ে বীর্যের সাথে মিলিত হয়। ছেলেদের দেহে তলপেটের নিচের দিকে দুটি বীর্যথলি আছে যা থেকে একরকম পিচ্ছিল রস তৈরি হয়। এ রসকেই বীর্য বা সিমেন বলে। ছেলেরা বড় হবার পরে কোন কারণে যৌন উত্তেজনা হলে পুরুষাঙ্গ বা শিশ্ন থেকে পাতালা বীর্য বের হয় ।
আর যৌন উত্তেজনার চরম ও শেষ মুহুর্তে করে অনেক বীর্য বের হয়, একে বীর্যপাত বলে। ছেলেদের প্রজননতন্ত্রের একটি আসল অংশ হল পুরুষলিঙ্গ । প্রস্রাব ও যৌনমিলন উভয়কাজেই শিশ্ন ব্যবহৃত হয়।
পুরুষের পুরুষাঙ্গ সাধারণত তিনভাবে বিভক্ত।
১। শশকীয়।
২। বৃষকীয়।
৩। অশ্বকীয়।
শশকীয় লিঙ্গ
তার বচন হবে মিষ্ট, মন সদা প্রফুল্ল, সে দেখতে সুন্দর এবং কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট, তার মুখ গোলাকার এবং দেহ মধ্যাকারের। তার হাত পা খুব হালকা এবং সুন্দর। তার আত্নসম্মান জ্ঞান আছে। গুরু ও জ্ঞানীজনে ভক্তি থাকে। এর পুরুষাঙ্গ ছয় আঙ্গুল লম্বা এবং বীর্য থেকে সুরভিগন্ধ বের হয়। সে খুব হালকাভাবে বেড়ায় এবং কামেচ্ছা মাঝে মাঝে উদ্ভূত হয়।
বৃষকীয় লিঙ্গ
এরূপ ব্যক্তিও কিছু পরিমাণে মধুরভাষী হয়। তার ঘাড় গর্দান বলিষ্ঠ, কর্কশ কণ্ঠস্বর, রক্তবর্ণ হস্ত পদ এবং গতি চমৎকার। তার ভ্রু খাড়া এভং পেট কচ্ছপাকারে গোলাকার। তার বীর্য এবং দেহ থেকে লবণাক্ত আস্বাদ বের হয়। তার গতি মাঝারি রকমের কিন্তু তিক্ত স্বাভাব। তার পুরুষাঙ্গ নয় আঙ্গল দীর্ঘ।
অশ্বকীয় লিঙ্গ
এরূপ লোক সাধারণতঃ বাচাল, মুখ হয় লম্বা। লম্বা ও সরু কান, মাথা ও অধর ওষ্ঠ সরু। তার কেশ ঘন সন্নিবিষ্ট ও বক্র। তার হাত পা খুব লম্বা এবং দৃঢ়। তার লম্বা অঙ্গলি কিন্তু নখের চেহারা সুগঠিত। তার স্বর যেন মেঘ গর্জন এবং সে দ্রুত পা ফেলে হাঁটে। তার শুক্র থেকে যেন মদের গন্ধ বের হয়। তার পুরুষাঙ্গ প্রায় বারো আঙ্গুল লম্বা হয়ে থাকে। এইভাবে নারীর যোনিও তিনভাগে বিভক্ত।
যোগাযোগ করুন এই ঠিকানায় ক্লিক করুন
আমাদের প্রতিদিনের নিয়মিত পরামর্শ পেইজের বিবরণ:
🔵যে কারণে তুলসি পাতার অবদান ভুলা যায় না
🔵পেটে গ্যাসের বেশি সমস্যা করে যে খাবার
🔵স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে কাঁচা আমের জুস এই নিয়মে খান
🔵ফোড়া ঘা এবং যৌন রোগে কার্যকারী যে বৃক্ষ
🔵ব্লাড ক্যান্সার প্রতিরোধে করণীয়
🔵চুলকানী থেকে চিরতরে মুক্তির উপায়
🔵ক্যান্সার প্রতিরোধে যে কাজ করবেন
![]() |
| Health gpt 24 |

